• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনের শেষটা লঙ্কানদেরই

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। দিনের শুরুটা ছিলো বাংলাদেশেরই দখলে। প্রথম সেশনেই জোড়া আঘাত হেনে শ্রীলঙ্কা শিবিরে ভয় ধরিয়েছিলেন নাঈম হাসান। তবে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের সেঞ্চুরিতে নিজেদের দখলে রেখে দিন শেষ করলো শ্রীলঙ্কা।

রোববার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ২৫৮ রান। এছাড়া ১১৪ রান করে অপরাজিত রয়েছে ম্যাথিউস। তার আধিপত্যের দিনে ২ উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন তরুণ বোলার নাঈম হাসান। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম ও সাকিব আল হাসান।

এর আগে নাঈম হাসানের জোড়া আঘাতের পরে তৃতীয় উইকেটে নেমে ব্যাট হাতে একাই রাজত্ব করেন ম্যাথিউস। দিনশেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ২১৩ বল মোকাবিলায় ১১৪ রানের ইনিংস খেলে। তার ব্যাট থেকে ১৪ চারের বিপরীতে আসে একটি ছক্কার মার। তাকে ক্রিজের অপরপ্রান্তে সঙ্গ দিচ্ছেন দিনেশ চান্দিমাল। ৭৭ বল মোকাবিলায় তিনি অপরাজিত আছেন ৩৪ রানে।

শুরুটা অবশ্য করেছিল বাংলাদেশ। লঙ্কান শিবিরে জোড়া আঘাত হেনে বাংলাদেশকে শুভ সূচনা এনে দিয়েছিল নাঈম হাসান। করুণারত্নেকে ফেরানোর পর তার শিকার হয়েছিলেন ওশাদা ফার্নান্দো। ফার্নান্দো আউট হন ব্যক্তিগত ৩৬ রানে। তাকে করা নাঈমের বলটি ব্যাট ঘেঁষে চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের তালুতে। আম্পায়ারও আউট দেন লঙ্কান ওপেনারকে। কিন্তু ওশাদা রিভিউ নেন। রিভিউয়ে দেখা যায়, বল আসলেই তার ব্যাটের গায়ে লেগেছিল। ফলে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

এর আগে নাঈম হাসান নিজের প্রথম ওভারে এসেই ফিরিয়ে দেন দলপতি দিমুথ করুণারত্নেকে। পঞ্চম বলে সফল হন নাঈম। তার বলটি যাচ্ছিল লেগ স্টাম্প বরাবর। করুণারত্নে ব্যাট চালালেও আগে তার পা ছুঁয়ে যায় নাঈমের বল। বাংলাদেশের ফিল্ডাররাও জোর আবেদন জানান, তাতে সফলও হয় টাইগার শিবির। ১৭ বলে ৯ রান করে আউট হন করুণারত্নে।

এরপর চা বিরতি শেষে ক্রিজে আধিপত্য করে ফিফটি হাঁকানো কুশাল মেন্ডিসকে সাজঘরে ফেরান তাইজুল। ইনিংসের ৫৭তম ওভারে তার করা প্রথম বল মিড উইকেটে থাকা ফিল্ডার নাঈমের হাতে তুলে দেন মেন্ডিস। ১৩১ বল মোকাবিলায় ৫৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এছাড়া বোলিংয়ে এসে আঘাত হানেন সাকিব। ১৬২ দিন পর সাদা জার্সিতে ফিরে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিজের শিকারে পরিণত করেন টাইগার অলরাউন্ডার। ইনিংসের ৬৬তম ওভারে এসে ধনাঞ্জয়াকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব। তবে টাইগারদের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে অবশ্য রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত স্বাগতিকদের পক্ষেই যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ